বেশি খেলে কি কি ক্ষতি হয় জানেন কি

বেশি খেলে কি কি ক্ষতি হয়  জানেন কি
Over Eating
বেশি খেলে কি কি ক্ষতি হয়  জানেন কি

আমরা খাওয়ার বেলায় কোন কারচুপি করি না। খাইতে বসলেই পেট ভরে খাই। কিন্তু জানেন কি বেশি খেলে কি কি ক্ষতি হতে পারে? আসুন জেনে নেই বেশি খেলে কি কি অপকার বা ক্ষতি হয়।

১. বেশি খেলে ডায়াবেটিস হয়ঃ

অধিক ভোজনের প্রাথমিক ফল হল ডায়াবেটিস। কেননা বেশী খাওয়ার কারনে লালাগ্রন্থিকে বেশি কাজ করতে হয়। এ কারণে অভন্তরীণ (রস বা ইনসুলিন অর্থাৎ বহুমুত্র রোগের প্রতিশেদক) আদ্রতা কমে যায়। রক্তে চিনির পরিমাণ বেড়ে যায়।

২. বেশি খেলে ব্লাড প্রেসার হয়ঃ

অধিক ভোজন রক্তের চাপ বৃদ্ধি একটা অত্যাবশ্যকীয় দ্বিতীয় কারণ। কেননা ডায়াবেটিস এবং ব্লাড প্রেসার পরস্পর 
সম্পর্ক যুক্ত

৩. বেশি খাওয়ার ফলে প্যারালাইসিস হয়ঃ

 প্যারালাইসিস ও অধিক ভোজনের কারণে হয়ে থাকে। এতে রক্তবাহী শিরাগুলি সংর্কীণ হয়ে যায়, ফলে রক্ত চলাচল বাধাপ্রাপ্ত হয়। এভাবে যখন শিরাগুলি একেবারেই সংর্কীন হয়ে পড়ে তখন শংশ্লিষ্ট অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ অনুভূতিহীন হয়ে যায়। আর এ অবস্থাটি মস্তিস্কের কোন অংশে হঠাৎ প্রকাশ পেলে মানুষ প্যারালাইসিসে আক্রান্ত হয়।

৪. বেশি খেলে হৃদ রোগ হয়ঃ

শিরার সংর্কীনতা রৃদ রোগের অন্যতম কারণ। শিরার চুড়ান্ত সংকীর্নতা রৃদপিন্ডের সাথে সম্পর্ক যুক্ত। এমতাবস্থায় রৃদপিন্ডের বিবর্তন হওয়া এক অতিস্বাভাবিক কারণ।

৫. বেশি খাওয়ার ফলে অসময়ে বার্ধক্যে পতিত হয়ঃ

অধিক ভোজনের ফলেই এ অবস্থা হয়ে। কেননা বেশি খেলে অঙ্গ প্রত্যঙ্গ গুলি যথাযথভাবে কাজ করতে অপারগ হয়ে পড়ে। ফলে মানুষ নির্দিষ্ট সময়ের পূবেই দুর্বল বা শক্তিহীন হয়ে যায় এবং তাকে বৃদ্ধ মনে হতে থাকে।

৬. বেশি খাওয়ার ফলে শরীর মোটা বা স্থুল হয়ঃ

এটা অধিক ভোজনের কারণে হয় এবং এই অবস্থায় আরও বহু রোগের কারণ হয়। যেমন শরীরের জোরার রোগ  ও অস্থিমজ্জার ব্যাথা ইত্যাদি।

৭. বেশি খাওয়ার ফলে গ্যাস্টিক হয়ঃ

অজীর্ণ গ্যাস্টিক এবং অতিসার তথা ধ্বংসাত্মক ব্যথাও অধিক ভোজনের ফল। এতে মানুষ পায়খানা ও প্রস্রাবের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। এভাবে ভাল মানুষও (অনেক সময়) পাগল উন্মাদ পর্যন্ত হয়ে যা।

মোট কথা অধিক ভোজন হাজারো সমস্যার সৃষ্টি করে। পক্ষান্তরে যদি কেউ নবী করিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীসের উপর আমল করে, সময় মত জরুরত পরিমান খানা খায় তবে সর্বদাই সুস্থ্য শরীরে সুখে শান্তিতে জীবন যাপন করতে সক্ষম হয়। 

এ সম্পর্কে নিম্নের বানীটিঃ-
 ‘মানুষের জন্য কয়েক লোকমা (সামান্য) খানাই যথেষ্ট। আর যদি একান্তই বেশি খাওয়ার আবশ্যক হয়ে পড়ে তবে পেটের এক তৃতীয়াংশ খানা, এক তৃতীয়াংশ পানি দ্বারা  পূর্ণ করবে এবং এক তৃতীয়াংশ শ্বাস প্রশ্বাসের জন্যে খালি রাখবে।

/ বাংলানিউজ.কম

No comments

Powered by Blogger.